৯ অক্টোবর ২০২৬

বৈশ্বিক চালের দাম ২৬ মাসের সর্বোচ্চে, বাংলাদেশের ভোক্তারা চাপে

বৈশ্বিক চালের দাম ২৬ মাসের সর্বোচ্চে, বাংলাদেশের ভোক্তারা চাপে
Photo: Nafiz6167 / CC BY-SA 4.0 (via Wikimedia Commons)

আন্তর্জাতিক চালের দাম অক্টোবর ৮ তারিখে ১৬.৮৩ মার্কিন ডলার প্রতি সিডব্লিউটিতে পৌঁছেছে, যা ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ এবং বছর-দর-বছর ৫৪.৫৭% বৃদ্ধি পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক পণ্য বাণিজ্য তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক চালের দাম ২৬ মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে বৃদ্ধি পেয়ে অক্টোবর ৮, ২০২৬ তারিখে ১৬.৮৩ মার্কিন ডলার প্রতি হান্ড্রেডওয়েট (সিডব্লিউটি) এ পৌঁছেছে। এটি ২০২৪ সালের জুলাই মাসের পর থেকে সর্বোচ্চ মূল্যের স্তর এবং গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৪.৫৭% উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি নির্দেশ করে।

বাংলাদেশের জন্য এই মূল্য বৃদ্ধি একটি চ্যালেঞ্জিং সময়ে এসেছে, যা বিশ্বের বৃহত্তম চাল উৎপাদক ও ভোক্তাদের মধ্যে একটি। গত এক মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম ৭.৯২% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ২০২৫ এবং ২০২৬ সাল জুড়ে ইতিমধ্যে উচ্চ পর্যায়ে থাকা দেশীয় খাদ্য খরচের ওপর চাপ বাড়িয়েছে।

আত্রাই উপজেলা এবং নওগাঁ জেলা জুড়ে পরিবারগুলির জন্য, বৈশ্বিক মূল্য বৃদ্ধি খাদ্যের সাশ্রয়যোগ্যতা নিয়ে বিদ্যমান উদ্বেগকে আরও জটিল করে তুলেছে। বাংলাদেশ বার্ষিক আনুমানিক ৩৮ থেকে ৪৩ মিলিয়ন টন চাল খায়, যার ফলে দেশীয় উৎপাদন এবং ভোগের চাহিদার মধ্যে ফাঁক পূরণে পর্যায়ক্রমে চাল আমদানি করা প্রয়োজন হয়। যখন আন্তর্জাতিক দাম বাড়ে, তখন এই আমদানির খরচ বৃদ্ধি পায়, যা অবশেষে স্থানীয় বাজার মূল্যকে প্রভাবিত করতে পারে।

খাদ্য বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন যে চালের দামের ওঠানামা বিশেষভাবে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলিকে প্রভাবিত করে যারা তাদের পারিবারিক বাজেটের একটি বড় অংশ এই প্রধান শস্যে ব্যয় করে। বাংলাদেশ সরকার দেশীয় মূল্য স্থিতিশীল করতে চালের মজুদ বজায় রাখা এবং ভর্তুকিযুক্ত খাদ্য কর্মসূচি পরিচালনা সহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে, যদিও বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি স্থানীয় খরচকে প্রভাবিত করে চলেছে।

← সংবাদে ফিরুন