স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে হামের বিরুদ্ধে আরও ৩৫ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হবে একটি মপ-আপ ক্যাম্পেইনে, কারণ দেশব্যাপী ইতিমধ্যে ২ করোড় শিশু টিকা পেয়েছে।
<cite index="39-3">স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত গতকাল ঘোষণা করেছেন যে সরকার হামের বিরুদ্ধে আরও ৩৫ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে</cite>, যা বাংলাদেশ জুড়ে হাম প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণের চলমান প্রচেষ্টাকে সম্প্রসারিত করবে। <cite index="39-4">টিকাকরণ কার্যক্রমের অধীনে ইতিমধ্যে প্রায় দুই করোড় শিশুকে আওতায় আনা হয়েছে</cite>, তিনি ঢাকার কোড়াইল এলাকায় হাম-রুবেলা টিকাকরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় এ কথা বলেন।
<cite index="45-7,45-9">সরকার একটি "মপ-আপ ক্যাম্পেইন" চালু করেছে যাতে পূর্ববর্তী পর্যায়ে বাদ পড়া শিশুদের চিহ্নিত করা যায় এবং তাদের টিকাকরণের আওতায় আনা যায়, আগামী মাসে সারাদেশে হাম-রুবেলা টিকাদানের জন্য আরও ৩৫ লাখ শিশুকে লক্ষ্য করে</cite>। <cite index="45-10">স্বাস্থ্যকর্মী, সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডাররা প্রত্যন্ত পাহাড়ী এলাকা এবং দূরবর্তী চর অঞ্চলেও শিশুদের চিহ্নিত করছেন</cite>।
<cite index="39-5">প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে এবং আশা করছে যে হাম-সম্পর্কিত মৃত্যু শীঘ্রই হ্রাস পাবে</cite>। এই ক্যাম্পেইন ইউনিসেফ দ্বারা আয়োজিত হয়েছে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস, গাভি এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সহায়তায়।
<cite index="39-6,39-7,39-8">ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন যে আগের বছরগুলোর বিপরীতে, সরকার তথ্য এবং প্রাক্কলনের ভিত্তিতে চার মাস আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু করেছে এবং প্রতিরোধ প্রচেষ্টা জোরদার করেছে, ২,০০০ ডাক্তারকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে এবং চিকিৎসা নির্দেশিকা জারি করেছে</cite>। আত্রাই উপজেলা এবং নওগাঁ জেলা জুড়ে পরিবারগুলিকে উৎসাহিত করা হচ্ছে যাতে তারা নিশ্চিত করেন যে তাদের ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুরা এই ক্যাম্পেইনের সময় হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণ করে।