গত আমন মৌসুমে তাপপ্রবাহ এবং চালকলে বিদ্যুৎ খরচ বৃদ্ধির কারণে রাজশাহী বিভাগে সুগন্ধি চালের দাম দ্বিগুণ হয়েছে।
<cite index="30-1,30-2,30-3">রাজশাহী বিভাগে সুগন্ধি চালের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে, দেশের বেশিরভাগ সুগন্ধি চাল বিআরআরআই-৩৪ থেকে উৎপাদিত হয় যা চিনিগুড়া ধান নামে পরিচিত, এবং বর্তমান বাজারের সরবরাহ মূলত গত আমন মৌসুমের ফসল থেকে আসছে।</cite>
<cite index="30-4,30-12">গত উৎপাদন মৌসুমে উত্তরাঞ্চলীয় বাংলাদেশের কিছু অংশে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং বৃষ্টিপাতের অভাবের কারণে সুগন্ধি ধানের ফলন হ্রাস পেয়েছিল।</cite> <cite index="30-5">বড় চাল প্রক্রিয়াজাতকারীরা মৌসুমের শুরুতে তুলনামূলকভাবে বেশি দামে ধান কিনে মজুদ করেছিল, যা ছোট মিল এবং খোলা বাজারের জন্য সরবরাহ চাপ সৃষ্টি করেছে।</cite>
<cite index="30-7,30-15">উচ্চ বিদ্যুৎ বিল, মিলিং খরচ এবং পরিবহন খরচ উৎপাদন ও বিতরণ ব্যয় আরও বৃদ্ধি করেছে।</cite> <cite index="30-6,30-14">সুগন্ধি চালের জন্য বিশেষায়িত প্রক্রিয়াকরণ এবং পলিশিং প্রয়োজন।</cite>
<cite index="30-8,30-16">দাম বৃদ্ধি অনেক পরিবারের চাল কেনার ধরন পরিবর্তন করেছে, যা ঐতিহ্যগতভাবে পোলাও, বিরিয়ানি এবং বিশেষ অনুষ্ঠানের সাথে যুক্ত।</cite> এই উন্নয়ন এমন সময়ে এসেছে যখন নওগাঁ জেলা সহ উত্তরাঞ্চলীয় বাংলাদেশ জুড়ে কৃষক পরিবারগুলো জলবায়ু প্রভাব এবং কৃষি উৎপাদন ও পারিবারিক বাজেটকে প্রভাবিত করে এমন ক্রমবর্ধমান উপকরণ খরচের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে।