আজ প্রকাশিত মার্কিন কৃষি প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্ব বাজারে মূল্য বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ গম আমদানি কমাচ্ছে, যা সারাদেশে রুটি ও আটার দামকে প্রভাবিত করতে পারে।
আজ ২২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত মার্কিন কৃষি বিভাগের বৈদেশিক কৃষি সেবা প্রতিবেদন অনুযায়ী, <cite index="21-10">বিশ্ব গমের দাম বৃদ্ধির মধ্যে বাংলাদেশ গম আমদানি কমাচ্ছে</cite>। <cite index="21-10">এশিয়া জুড়ে মূল্য-সংবেদনশীল আমদানিকারক দেশগুলো রাশিয়ার রপ্তানি হ্রাসের প্রতিক্রিয়ায় বিকল্প সরবরাহকারীর দিকে ঝুঁকছে</cite>।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে <cite index="21-5">নাইজেরিয়া, বাংলাদেশ, মিসর এবং তুরস্কে আমদানি হ্রাসের সাথে এই মাসে বাণিজ্যের পূর্বাভাস কম</cite>। ঘরোয়া খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রেখে খাদ্য আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় এই হ্রাস আসছে।
গম এবং গমের আটা বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য সামগ্রী, বিশেষত শহুরে এবং গ্রামীণ ভোক্তাদের জন্য যারা রুটি, পরোটা এবং অন্যান্য গম-ভিত্তিক পণ্যের উপর নির্ভর করেন। আমদানি হ্রাস বা সংগ্রহের উৎস পরিবর্তন নওগাঁ জেলা এবং অন্যান্য অঞ্চলের বাজারে ঘরোয়া আটার দামকে প্রভাবিত করতে পারে।
উন্নয়নটি বৈশ্বিক পণ্যের দাম উচ্চ থাকায় বাংলাদেশের খাদ্য আমদানি কৌশলের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জগুলো প্রতিফলিত করে। কৃষি অর্থনীতিবিদরা উল্লেখ করেছেন যে দেশকে আমদানি ব্যয় এবং ঘরোয়া খাদ্য প্রাপ্যতার মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হবে, বিশেষত নওগাঁসহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে আমন ধান কাটার মৌসুম চলমান থাকায়।