আগামী মৌসুমে পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সৌদি আরব থেকে ৪০,০০০ টন ইউরিয়া এবং মরক্কো থেকে ৭০,০০০ টন ডিএপি ও টিএসপি আমদানির অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি।
<cite index="35-2">সরকারী ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি) ১২ আগস্ট কৃষকদের জন্য পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে সৌদি আরব থেকে ৪০,০০০ টন দানাদার ইউরিয়া এবং মরক্কো থেকে ৭০,০০০ টন ডিএপি ও টিএসপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।</cite> <cite index="35-3">অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।</cite>
<cite index="35-4,35-5">প্রথম প্রস্তাবের আওতায়, কমিটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৪০,০০০ টন বাল্ক দানাদার ইউরিয়া আমদানি অনুমোদন করেছে, যার ক্রয়মূল্য ২০৯.০৬ কোটি টাকা এবং প্রতি টন মূল্য ৪২১.৬৭ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।</cite> <cite index="38-3">মরক্কোর সাথে চুক্তিতে ৪০,০০০ টন ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) এবং ৩০,০০০ টন ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</cite>
আমদানির এই অনুমোদন এমন সময়ে এসেছে যখন <cite index="32-4">ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ এবং চীনের সার রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আগামী ফসল মৌসুমে ঘাটতির আশঙ্কায় কিছু প্রধান সারের মজুদ নিরাপদ মাত্রার নিচে নেমে গেছে।</cite> <cite index="32-7,32-10">ডিএপির মজুদ ৩.৯০ লাখ টন যা ৫ লাখ টন নিরাপদ সীমার নিচে নেমে গেছে, এবং টিএসপির মজুদ ৩.৫৩ লাখ টন যা প্রয়োজনীয় ৪ লাখ টন নিরাপদ মাত্রার নিচে রয়েছে।</cite>
<cite index="30-5">কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে বাংলাদেশে জুলাই, আগস্ট এবং সেপ্টেম্বরের জন্য পর্যাপ্ত সার মজুদ রয়েছে, যা অক্টোবর পর্যন্ত চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট হওয়া উচিত।</cite> এই আমদানির সময়োপযোগী অনুমোদন নাওগাঁ এবং সারা বাংলাদেশের কৃষকদের গুরুত্বপূর্ণ আমন ধান চাষ মৌসুমে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।