৩১ জুলাই ২০২৬

আকস্মিক বন্যায় সারাদেশে ৫১ জনের মৃত্যু, ১০ লাখেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত

আকস্মিক বন্যায় সারাদেশে ৫১ জনের মৃত্যু, ১০ লাখেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
Photo: MODIS Land Rapid Response Team, NASA GSFC / Public domain (via Wikimedia Commons)

প্রবল বর্ষার বৃষ্টিতে মারাত্মক বন্যা ও ভূমিধস হয়েছে, ১৬টি জেলায় আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং প্রধান নদীগুলো ফুলে উঠছে।

প্রবল বর্ষার বৃষ্টিপাতের কারণে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে বাংলাদেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে ২০২৬ সালের জুলাই মাসের শুরু থেকে ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সংকট বিশেষভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের জেলাগুলোকে আক্রান্ত করেছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) কমপক্ষে ১৬টি জেলার জন্য সতর্কতা জারি করেছে যেখানে তিস্তা, ধরলা এবং দুধকুমারসহ প্রধান নদীগুলোতে পানির স্তর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই নদীগুলো ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে, যা লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা এবং কুড়িগ্রামসহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোর নিম্নাঞ্চলে বন্যার সৃষ্টি করতে পারে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জুলাই মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস সত্ত্বেও স্বল্পমেয়াদী বন্যার সম্ভাবনার বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছিল। এই সতর্কতা এসেছিল শুষ্ক জুন মাসের পর যখন গড় বৃষ্টিপাতের চেয়ে ২৯.৪ শতাংশ কম বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছিল। সর্বোচ্চ সময়কালে কিছু জেলায় ২০০ থেকে ৫০০ মিলিমিটার ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল।

জুলাই মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত, সাতটি জেলা জুড়ে প্রায় ২,৬৭,৯১৮টি পরিবার পানিবন্দি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এফএফডব্লিউসি জানিয়েছে যে সাতটি পর্যবেক্ষণ স্টেশনে পাঁচটি প্রধান নদী তাদের নিজ নিজ বিপদসীমার উপরে প্রবাহিত ছিল। বর্ষা মৌসুম এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে চলেছে।

← সংবাদে ফিরুন